ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬ , ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাকুটিয়া খাল খনন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা লোপাট করার চেষ্টা! সাংবাদিক তথ্য চাইলেই সরকারি বরাদ্দের টাকা কাজ না করে ফেরত পাঠিয়ে দেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৮-০২ ১৯:৫৪:৫২
লাকুটিয়া খাল খনন প্রকল্পের  কোটি কোটি টাকা লোপাট করার চেষ্টা! সাংবাদিক তথ্য চাইলেই  সরকারি বরাদ্দের  টাকা কাজ না করে ফেরত পাঠিয়ে দেন লাকুটিয়া খাল খনন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা লোপাট করার চেষ্টা! সাংবাদিক তথ্য চাইলেই সরকারি বরাদ্দের টাকা কাজ না করে ফেরত পাঠিয়ে দেন
এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া :



লাকুটিয়া খাল খনন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা লোপাট করার চেষ্টা! সাংবাদিক মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দীক ভূইঁয়া তথ্য অধিকার ফরমে গত মাসের ০৭/০৬/২০২৬ সালে তথ্য চাইলেই দিচ্ছি বলে কালক্ষেপন করেন।পরে সরকারি বরাদ্দের টাকা কাজ না করে ফেরত পাঠিয়ে দেন গত সপ্তাহের। অথচ প্রকল্পেটির কাজের মেয়াদের শেষ হবার ৭ দিন পরে সাংবাদিক ত‍থ‍্য চায়। যদি টাকা ফেরত দেয়ার ইচ্ছাই থাকত তাহলে আগেই পাঠাতে পারত পরে কেন।টাকা পাঠিয়েই কেন বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ছুটিতে চলে যায়। এনিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন। বতর্মানে ছুটিতে রয়েছেন বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার।


এদিকে বরিশাল সদর উপজেলার জলাবদ্ধতা নিরসন ও মৃতপ্রায় লাকুটিয়া খালসহ অন্যান্য খাল পুনঃখননের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়া কোটি কোটি টাকা কাজ না লোপাট করতে চাওয়া টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত পাঠায়। স্থানিয় প্রশাসন ও বরিশাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক মিলে টাকা লোপাট করার চিন্তা করে সাংবাদিক তথ্য চাইলেই নড়েচড়ে বসে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে কালক্ষেপন করে টাকা পাঠিয়ে দেয়। এনিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা,কৃষক ও সচেতন মহল। এনিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন রয়েছে বতর্মানে ছুটিতে রয়েছেন বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার এর কারণ নিয়ে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ইজিপিপি’প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার দুটি খাল খননের জন্য ২ কোটি ৫৭ লাখ ৫৭ হাজার ৭৪ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ‘মরখখোলার পোল থেকে ঝড়ঝড়িয়াতলা বাজার হয়ে মাঝি বাড়ির ব্রিজ’পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার খাল খননের ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকার পুরোটাই কাজ না করে ফেরত দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা.ফরিদা সুলতানা।



এছাড়া চরবাড়িয়া ইউনিয়নের আরেকটি প্রকল্পে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার টাকার মধ্যে প্রায় ৬৮ লাখ টাকাই ফেরত পাঠানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট হয়ে থাকায় বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ ও পানি সংকট দেখা দেয়। সরকারি বরাদ্দ পেয়েও তা কাজে না লাগিয়ে ফেরত পাঠানোয় পানি প্রবাহ,কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নের সুযোগ হাতছাড়া হলো। জেলার অন্যান্য উপজেলায় কাজ হলেও সদর উপজেলায় কেন হলো না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। সাংবাদিক মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দীক ভূইঁয়া বলেন তথ্য অধিকার ফরমে গত মাসের ০৭/০৬/২০২৬ সালে তথ্য চাইলেই দিচ্ছি বলে কালক্ষেপন করেন।পরে প্রধান মন্ত্রী বরিশালে সফরে এলে কিছু দিন অপেক্ষা করি তথ্যের জন্য। পরে তথ্য না দিয়েই সরকারি বরাদ্দের টাকা কাজ না করে ফেরত পাঠিয়ে দেন গত সপ্তাহের। অথচ প্রকল্পেটির কাজের মেয়াদের শেষ হবার ৭ দিন পরে আমি ত‍থ‍্য চাই । যদি টাকা ফেরত দেয়ার ইচ্ছাই থাকত তাহলে আগেই পাঠাতে পারত পরে কেন।টাকা পাঠিয়েই কেন বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ছুটিতে চলে যায়। এর কারণ কি এনিয়ে অনুসন্ধান প্রযোন। বরিশাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন গত সপ্তাহে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি। এই বলে ফোন কেটে দেন। এ বিষয়ে ইউএনও ছুটিতে থাকায় তার মতামত নেয়া যায়নি। এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন এ বিষয় কিছুই জানেন না তিনি। বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মামুন খন্দকার জানান,তিনি নতুন যোগদান করেছেন।


জেলা প্রশাসক বলেন,কেন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেল না,সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছেঔ ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তবে লাকুটিয়া ও জেল খাল নিয়ে আমার পরিকল্পনা রয়েছে,যা শিগগিরই জানানো হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ